Cashbaba E Wallet – Lifetime Free UnionPay Card 2021

https://infotalkbd.com/wp-content/uploads/2021/04/How-To-Pay-EPassport-Fee-Online-by-OK-Wallet.png

Cashbaba E Wallet হচ্ছে একটি ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ে মাধ্যম। যাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্যাশলেস সিস্টেম চালু করা। যা তারা ইতিমধ্যে করে এসেছে।

কি কি থাকছে আজকের আলোচনায়ঃ

  • Cashbaba E wallet কি?
  • Cashbaba তে কিভাবে রেজিস্ট্রেশান করবো?
  • Cashbabab তে কিভাবে ব্যাংক লিংক করবো?
  • Cashbaba Card কি এবং কিভাবে পাওয়া যাবে?
  • কি কি কাজ করা যাবে?
ঘরে বসেই কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ওপেন করা যাবে? 
দেখে নিন এই লিঙ্ক থেকে। 

Cashbaba E Wallet কি?

Cashbaba E wallet হচ্ছে একটি মোবাইল ভিত্তিক ব্যাংকিং সিস্টেম। যা দিয়ে মোবাইল ফোন দিয়ে ব্যবহার করা লাগে।
বাংলাদেশের প্রায় সকল প্লাটফর্মে এটি ব্যবহার করা যায়। যেমনঃ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে সেটির মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন।

ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড যুক্ত করে Cashbaba দিয়ে আপনি অনায়াসে লেনদেন করতে পারবেন। যা একটি “একের ভিতর সব” মাধ্যম।
আপনার কাছে কোন প্রকার ফিজিক্যাল টাকা রাখার ঝুঁকি নেওয়া লাগবে না। কারন আপনি ভার্চুয়ালি লেনদেনের জন্য ক্যাশবাবা ব্যবহার করতে পারবেন।

Cashbaba e wallet মূলত দুই ধরনের মানুষ ব্যবহার করতে পারবে। যেমনঃ

  • ব্যক্তিগত
  • মার্চেন্ট

ব্যক্তিগতঃ
ব্যক্তিগত ব্যবহারে জন্য আপনি অনেক সেবা পাবেন আবার অনেক সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। তবে সেটা আপনার জন্য ভালো। কারন আপনি যেহেতু ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ব্যবহার করবেন। সেটা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবেন।
আপনি ব্যবক্তিগত ব্যবহারে জন্য এই লিঙ্ক থেকে দেখে আসতে পারেন লিমিট।
আপনি উপরের লিঙ্ক থেকে লিমিট এবং ফি’স নিয়ে জানতে পারবেন। ফলে আপনার জন্য বুঝার জন্য আরো সহজ হবে।

মার্চেন্টঃ
মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার জন্য আপনাকে একটি মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে হবে।
ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের চেয়ে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে একটি বেশি সুবিধা রয়েছে লেনদেনের লিমিটের ক্ষেত্রে।
তবে চার্জটা বেশি হয়ে থাকে। কারন মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে সাধারণত লেনদেনের পরিমান বেশি হয়।
মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের লিমিট সহ অন্যান্য সুবিধা জানতে এই লিঙ্কে প্রবেশ করুন।

আশা করছি এই সংক্ষেপ আলোচনায় বুঝতে পেরেছেন Cashbaba E Wallet কি;

Cashbaba E wallet Registration :

Download Cashbaba (Android)
Download Cashbaba (iOS)

উপরের লিঙ্ক থেকে আপনার ফোন অনুযায়ী অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন। এবং ছবিতে দেখানো প্রক্রিয়া গুলো অনুসরণ করুন;

  • Sign Up Now এ ক্লিক করুন।
  • ফোন নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড দিন;
    [রেফারকোড খালি রাখুন] “Register” বাটনে ক্লিক করুন;
  • এখানে আপনাকে বলা হবে আপনার এনআইডি সহ অন্যান্য তথ্য দিতে হবে। সেগুলো প্রস্তুত রাখুন।
    এবার “Next” এ ক্লিক করুন;

এই ধাপে শুধুমাত্র কোড বসানোর কাজ;

  • আপনার ফোন নাম্বারে ৬ সংখ্যার কোড আসবে সেটি বসিয়ে “Verify” এ ক্লিক করুন।
  • আপনার নিরাপত্তার স্বার্থে ৬ সংখ্যার একটি কোড বসিয়ে “Submit” এ ক্লিক করুন।
  • এবার আপনার দেওয়া ইমেইল অ্যাড্রেসে কোড আসবে, সেটি দিয়ে চাইলে ইমেইল অ্যাড্রেস ভেরিফাই করতে পারবেন। তবে আপনি না চাইলে Skip করতে পারবেন।

এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ এনআইডি ভেরিফিক্যাশনের জন্য। তাই একটু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

  • আপনার এনআইডি কার্ড এর প্রথম অংশ ভালোভাবে ফ্রেমের মধ্যে রাখুন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ওঠে যাবে।
  • এবার পিছনের অংশের ক্ষেত্রে একই নিয়ম অনুযায়ী ফ্রেমের মধ্যে রাখুন। তাহলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি তুলে নিবে।
  • এখন আপনার সেলফি তোলার ধাপ; যা অনেক বেশি কঠিন যদি আপনি না জেনে থাকেন;
    • প্রথমে আপনার হাতে ফোন নিয়ে আপনার হাত পুরোপুরি সোজা করে রাখুন। আপনার হাত যত লম্বা হয় তত দূরে ফোনটি আপনার মুখ থেকে রাখুন। এবার আপনি একটি ফ্রেম দেখতে পাবেন ফোনের স্ক্রিনে। সেখানে আপনার মুখ রাখুন কিছু সময়।
    • এবার আপনাকে বলা হবে ধীরে ধীরে ডানে মাথা গুড়ানোর জন্য। আস্তে আস্তে ডানে মুখ গুড়ান। হাত নাড়াবেন না।
    • এবার আস্তে আস্তে বাম দিকে মুখ গুড়ান।

এভাবে আপনার সেলফি তুলা হবে। কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন এবং আপনি আপনার সকল তথ্য দেখতে পাবেন।

“Next” এ ক্লিক করুন এবং আপনাকে লগিন পেজে নিয়ে আসা হবে। আপনার ফোন নাম্বার এবং আপনার দেওয়া ৬ সংখ্যার পিন নাম্বার দিয়ে লগিন করুন।
হয়ে গেলো আপনার Cashbaba e Wallet রেজিস্ট্রেশান সফলভাবে। এখন দেখবো বাকি কাজ গুলো।

Cashbaba e Wallet Bank Linking :

প্রথমে আপনার অ্যাকাউন্টে লগিন করুন। এর পরে “Link Bank” ক্লিক করুন।
মনে রাখবেন, আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্যাশবাবা র অ্যাকাউন্ট একই ব্যক্তির হতে হবে। এছাড়া ব্যাংক লিংকিং হবে না।

  • “Link a Bank Account” এ ক্লিক করুন।
  • ব্যাংকের তথ্য দেওয়া লাগবে এই ধাপে;
    • ব্যাংকের নাম নির্বাচন করুন।
    • শাখা নির্বাচন করুন।
    • আপনার নাম চলে আসবে।
    • আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিন।
  • এই ধাপে আপনি ব্যাংকের ডিটেইলস দেখতে পাবেন, ভালোভাবে চেক করে “Accept” এ ক্লিক করুন।

এবার ৩-৫ কর্মদিবস অপেক্ষা করুন। আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ক্যাশবাবা থেকে অল্প কিছু টাকা পাঠানো হবে, সেটা আপনি আপনার ব্যাংকের স্ট্যাট্মেন্টে দেখতে পাবেন। বা ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং থেকেও দেখতে পারবেন।
যেই পরিমান এমাউন্ট তারা পাঠাবে, ঠিক ঐ পরিমান এমাউন্ট বসিতে ভেরিফাই করতে হবে।
নোটঃ ৩ বারের বেশি ভুল এমাউন্ট সাবমিট করলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে যাবে।

 

Cashbaba Card কিভাবে পাওয়া যাবে?

ক্যাশবাবা কার্ড পাওয়া যাবে অনলাইনে অর্ডার করে, তবে সেক্ষেত্রে কিছু সাধারন প্রক্রিয়া রয়েছে।

ক্যাশবাবা অ্যাপে লগিন করার পরে আপনি একটি Union Pay কার্ডের ব্যানার দেখতে পাবেন।

  • “Apply for Card” এ ক্লিক করুন।
  • “Ship in my location” এ ক্লিক করুন।
  • কার্ডের ট্রামস এন্ড কন্ডিশন “Accept” করুন।
  • আপনার লোকেশন অনুযায়ী আপনার ঠিকানা চলে আসবে। তবে পুরোপুরি আসবে না হয়ত, তাই আপনার এনআইডি কার্ডের ঠিকানার সাথে মিল রেখে ঠিকানা লিখুন।
  • “Submit” এ ক্লিক করার পরে দেখতে পাবেন আপনার শিপিং ফি কত। যা আপনার অ্যাকাউন্টে থাকতে হবে।
    ঢাকার ভিতর ১০০ টাকা এবং ঢাকার বাহিরে ২০০ টাকা শিপিং ফি’স।

কিছু দিন অপেক্ষা করুন, আপনার পোস্ট অফিসে চলে আসবে আপনার কার্ড। সেটি সংগ্রহ করে অ্যাক্টিভ করুন।

Cashbaba Card Activation:

কার্ড টি হাতে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পাবেন সেটিকে সক্রিয় বা অ্যাক্টিভ করতে হবে। সেজন্য আপনাকে ক্যাশবাবা অ্যাপে লগিন করতে হবে;

  • “Apply for card” এ ক্লিক করুন।
  • “I’ve Received my Card” এ ক্লিক করুন।
  • কার্ডের তথ্য দিন বা স্ক্যান করুন;
    • নাম্বার নাম্বার লিখুন
    • ৪ সংখ্যার পিন দিন
    • একই পিন আবার দিন। (মনে রাখুনঃ এটি কার্ডের পিন, অ্যাকাউন্টের পিন নয়)

“Submit” এ ক্লিক করুন এবং আপনার কার্ডটি অ্যাক্টিভ হয়ে গেলো।
Union Pay card বা Cashbaba Card এর বার্ষিক কোনো চার্জ নেই। শুধু মাত্র শিপিং চার্জ করা হয়।

 

Cashbaba e Wallet Features :

Cashbaba e Wallet এ আপনি যেসব ফিচার্স গুলো পাবেন, সেগুলোর কিছু সংক্ষিপ্ত বর্ণনা করা হবে;
তবে এখন আলোচনায় উল্লেখিত বিষয় গুলো ছাড়াও ভবিষ্যতে আরো ফিচার্স যোগ করা হবে ক্যাশবাবা ই ওয়েলেটে।

  1. Add Money
    • আপনি আপনার লিংক করা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার ক্যাশবাবা অ্যাকাউন্টে টাকা অ্যাড মানি করতে পারবেন।
  2. Send Money
    • যেকোনো ক্যাশবাবা অ্যাকাউন্টে টাকা সেন্ড মানি করতে পারবেন। যা সম্পুর্ন ফ্রি!
  3. Virtual Cash
    • নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিয়ে আপনি একটি ভার্চুয়্যাল ক্যাশ তৈরি করতে পারবেন এবং যেকোনো মার্চেন্টের কাছে সেটি পাঠাতে পারবেন।
  4. Request Money
    • আপনি যদি কারো কাছ থেকে টাকা নিতে চান ক্যাশবাবা’র মাধ্যমে তাহলে তার নাম্বার দিয়ে রিকোয়েস্ট মানি করলেই তার কাছে একটি রিকোয়েস্ট চলে যাবে। সে Accept করলে আপনি টাকা পেয়ে যাবেন। ফ্রি!!
  5. Cashbaba Card
    • ক্যাশবাবা কার্ড সম্পুর্ণ ফ্রি! কোনো বাৎষরিক চার্জ নেই। ফলে আপনি বাংলাদেশের যেকোনো এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন এই কার্ড দিয়ে।
  6. OR Payment
    • কোনো প্রকার জামেলা ছাড়াই শুধুমাত্র একটি কোড স্ক্যান করেই আপনি মার্চেন্ট পেমেন্ট করার সুযোগ পাচ্ছেন Cashbaba e Wallet এ।
  7. Transfer
    • নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা অন্য কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন খুব সহজেই।
  8. Mobile Recharge
    • বাংলাদেশের যেকোনো মোবাইল অপারেটরে রিচার্জ করা যাবে ক্যাশবাবা ব্যবহার করে। এমনকি স্কিটো সিমের রিচার্জও করা যাবে।
  9. Remittance
    • পেওনার থেকে আপনি খুব সহজেই টাকা আনতে পারবেন রেমিটেন্স হিসেবে।
  10. Bill Payment
    • ইন্টারনেট বিল, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানি বিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি’স সহ আরো নানান বিল পরিশোধ করা যায়।

উপরের আলোচনার বিষয় গুলো ছাড়াও আরো অনেক ফিচার্স তারা দিনে দিনে যুক্ত করছে। যা আপনি ব্যবহার করার পরেই দেখতে পারবেন।

Cashbaba FAQs :

Cashbaba e wallet নিয়ে যা যা লিখা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সে লিখতে পারেন।
ধন্যবাদ।

About the Author: infotalkbdcom

Leave a Reply

Your email address will not be published.